ঢাকা, ||

জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস আজ


জাতীয়

প্রকাশিত: ৬:৪৮ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ৩, ২০১৭

বাংলাদেশ মেইল রিপোর্ট : আজ সোমবার জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস। ২০১২ সাল থেকে প্রতিবছর ৩ এপ্রিলকে জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস হিসেবে উদযাপন করা হচ্ছে। এর আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৭ সালের ৩ এপ্রিল তদানীন্তন প্রাদেশিক আইন পরিষদে ‘চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থা বিল’ উত্থাপন করেন এবং ঐদিনই বিলটি আইনে পরিণত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিষ্ঠিত হয় এফডিসি।

দিবসটি উপলক্ষে এবার দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু । বিকাল তিনটায় এফডিসির ৮নং সুটিং ফ্লোরে অনুষ্ঠিত হবে সেমিনার। শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন। এছাড়াও এফডিসির ঝরণা স্পটের সামনে চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় সব শিল্পিদের অংশগ্রহণে থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো: আব্দুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

বাংলা চলচ্চিত্রের ঐতিহাসিক এই দিনটিকে জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, তার বিশ্বাস, দিবসটি উদ্যাপনের ফলে আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পের আরো উন্নয়ন ঘটবে, সৃষ্টি হবে জীবনঘনিষ্ঠ চলচ্চিত্র।

তিনি বলেন, দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে চলচ্চিত্রে মহান স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস এবং মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাথা তুলে ধরতে হবে, যাতে তরুণ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে উন্নত ভবিষ্যৎ গড়তে নিরন্তর অনুপ্রেরণা লাভ করতে পারে।

‘মানবিক সমাজ গঠনের পাশাপাশি চলচ্চিত্র হয়ে উঠুক জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ নির্মূলসহ অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার- এ প্রত্যাশা করি।’

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের চলচ্চিত্র জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষা ও স্বপ্নের প্রতিফলন ঘটিয়ে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে আরো কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন ।

তিনি বলেন, চলচ্চিত্র একটি শক্তিশালী গণমাধ্যম। চলচ্চিত্র যুগ যুগ ধরে মানুষের চিত্তবিনোদনের একটি মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। চলচ্চিত্রে মানুষের জীবন সংগ্রাম ও সমাজ বাস্তবতার চিত্র প্রতিফলিত হয়। দেশের ইতিহাস, কৃষ্টি ও সংস্কৃতির বিকাশের পাশাপাশি শিক্ষা বিস্তার, জাতি গঠন ও সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে চলচ্চিত্র শক্তিশালী ভূমিকা রেখে চলেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নান্দনিক চলচ্চিত্র নির্মাণের লক্ষ্যে চলচ্চিত্রের জন্য নিয়মিত অনুদান দেওয়া হচ্ছে। আমরা চলচ্চিত্র শিল্পে মেধাবী ও সুদক্ষ কর্মী সৃষ্টির জন্য ফিল্ম ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেছি। চলচ্চিত্র নির্মাতাদের আমাদের সংস্কৃতি এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতিফলন ঘটিয়ে জীবন ঘনিষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মাণ করে দর্শকদের মন জয় করতে হবে।’

295 বার পঠিত

Top